একটিমাত্র পাতা ব্যবহার করে আপনার ঠোঁট গলাপি করে তুলুন।

Image
দেখতে দেখতে শীতকাল চলে এলো।যদিও শীতকালটাই সবারই প্রিয় কাল।কিন্তু শীতকালে প্রায় সবারই একটা সমস্যা হয়ে থাকে সেটা হল ঠোঁটের সমস্যা। যেমন ঠোঁট ফাটা বা ঠোঁট কালো হয়ে যাওয়া, যদি আপনি ধূমপান করেন তাহলে আপনি এই সমস্যায় অবশ্যই ভুগে থাকবেন।  শীতকালে আমরা ঠোঁট ভালো রাখার জন্য অনেক কসমেটিক ব্যবহার করে থাকি কিন্তু সেগুলিতে সেরকম ভাল কাজ হয় না। আজকে আমি আপনাদের এমন একটি প্রাকৃতিক উপাদান বলব যার দ্বারা আপনি আপনার ঠোঁট ভালো রাখতে পারবেন এবং গোলাপি করতে পারবেন।  ধনেপাতা :- শীতকালে ধনেপাতা পাওয়ার খুব একটা কঠিন না। প্রায় সব জায়গায় ধনেপাতা পাওয়া যায় ।আপনি কেবলমাত্র এটা ব্যবহার করে আপনার অনেক সুন্দর রাখতে পারবেন এবং গোলাপী করতে পারবেন।  কিভাবে ব্যবহার করবেন?:-  প্রথমে আপনি একগুচ্ছ ধনেপাতা ভালো করে ধুয়ে নেবেন ।তারপর একটি পরিষ্কার পাত্রে এই ধনেপাতা কে ভালো করে থেতো করে নেবেন এবং প্রত্যেক দিন রাতে ঘুমোনোর আগে এই উপাদানটি কে নিয়ে আপনার ঠোঁটে ভালো করে মালিশ করবেন।  এভাবে মালিশ করার পর 15 থেকে 20 মিনিট রেখে দেবেন এবং তারপর ধুয়ে ফেলবেন ।অবশ্যই এই ধনেপাতার রস লাগা...

নাগমনি বাস্তব নাকি কল্পনা? আসুন দেখে নিন।

ছোট থেকেই আমরা নাগ মনি সম্পর্কে অনেক কিছু পড়েছি বা শুনেছি। কিন্তু আদৌ কি নাগমনি বাস্তব নাকি পুরোটাই মানুষের কল্পনা?
 অনেকেই এই নাগমনি বাস্তবে আছে বলে বিশ্বাস করেন না। কিন্তু যদি পুরান ঘেঁটে দেখা যায় সেখানে উল্লেখ করা আছে যে অনেক সাপই নাগমনি ধারণ করার ক্ষমতা রাখে। এর মানে হল অনেক সাপের মাথায় একটি মূল্যবান ও অলৌকিক রত্ন থাকে যেটিকে আমরা নাগ মনি বলে থাকি।
 হাজার হাজার বছর ধরে উল্লেখ করা আছে যে এই নাগমনি ধারণকারী মানুষের ভাগ্য বদলে যায়।এই নাগমণি থেকে খুব উজ্জ্বল আলোক রশ্মি নির্গত হয় যেটি যেকোনো মানুষের চোখ ধাঁধিয়ে দিতে পারে ।
পৌরাণিক ধারণা অনুযায়ী বলা হয়েছে ভগবান সেষনাগ এই নাগ মনি ধারণ করতেন। বর্তমানেও কিছু মানুষ দাবি করেছেন যে তারা সাপের মাথায় নাগমণি দেখেছেন।
কেবলমাত্র বিশেষ ধরনের সাপের মাথাতেই নাগমনি দেখা যায়। ভারতবর্ষের একটি অন্যতম ধর্মগ্রন্থ বৃহৎসংহিতা তে উল্লেখ করা রয়েছে যে এখনো বর্তমানে মনি ধারি নাগ রয়েছে।
 কিন্তু এইসব নাগ খুবই দুর্লভ।
 প্রফেসর hemsworth নামের একটি বিজ্ঞানী নাগমনি ওপর রিসার্চ করেছিলেন এবং তিনি জানিয়েছিলেন নাগ মনি ক্লোরোফেন নামের এক ধরনের খনিজ থেকে তৈরি হয়। তিনি বলেন কিছু ধরনের প্রাকৃতিক ক্লোরোফেন কে যদি গরম করা হয় তাহলে কিছু সময়ের জন্য ক্লোরোফেনটি উজ্জ্বল আলোর বিকিরণ করতে থাকে।
 সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি ভুল ধারণা রয়েছে যে নাগমনি সাপের মাথাতে অবস্থান করে। এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। কিছু মানুষ দাবি করেছেন সাপের মনি কালো রংয়ের হয় ।কিন্তু এটি মনি না এটি কেবলমাত্র বিষধর সাপের মধ্যেই বিকশিত হয় আর এটি সাপের মাথার পেছন দিকে থাকে।
 যদিও এটির মধ্যেও কিছু অলৌকিক ক্ষমতা রয়েছে, যেমন এটি সাপের বিষ শোষণ করতে পারে। এবং সাপুড়েরা সব সময় এটি ব্যবহার করেন।
 কিছু অসাধু ব্যক্তি আমাদেরকে এগুলোই নাগমণি হিসেবে বিক্রি করে কারণ নাগমণি পাওয়া সত্যিই খুব দুর্লভ।এইসব ফাঁদে ভুল করেও পা দেবেন না।

Comments

Popular posts from this blog

মেয়েদের গোপন অঙ্গ কত প্রকারের হয়? দেখুন এখান থেকে।

পুরুষদের যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করার কিছু পদ্ধতি।

পৃথিবীর সব থেকে দামি মদ কোনটি? ও তার দাম কত ?জেনে নিন এখান থেকে।